শূন্যতাকে লেখা চিঠি
দীর্ঘ গ্রীষ্মের পর বৃষ্টি নামলে,বৃষ্টিকে অক্ষর করে তোলার ইচ্ছে হয়৷
তুমি নিমগ্ন আছ!
তোমাকে ছুঁতে পারে না রোদ বা জল...
অথচ এই বুকে এখন তানসেন ক্রমাগত বাজিয়ে চলেছেন তানপুরা। কী করি!
তোমাকে বৃষ্টির কথা লিখব। প্রতিটা বাক্যের শেষে থাকবে শ্রাবণের পিছুডাক।
এই লেখাকেই প্রিয় বন্ধুরা বলবে চিঠি...
ছোট থেকেই গর্ভবতী ডাকবাক্স দেখতে আমার ভালো লাগে।
ডাকবাক্সের পেটে একটা গন্ধ আছে! আনন্দ, দুঃখ মেশানো উৎসাহী সে গন্ধ নাক টানলেই টের পাই আমি!
চিঠির কানে কানে বলব ওই গন্ধের কথা। ডানা ভাঙা ফড়িঙটাকে কী আকুল বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম সেই কথাও বলব!
আর বলব,অপেক্ষা করতে গিয়ে কীভাবে 'অপেক্ষা' বানানটাই ভুলে গিয়েছি।
চিঠি পেয়ে তুমি হাসবে নিশ্চয়ই! তোমার ঠোঁটের উপর নিবিড় হয়ে নামবে গোধূলির মধুবন্তী রাগ!
কিন্তু আশ্চর্য, ওই রাগের কাছে আমার সামান্য রাগ ফিকে হয়ে যাবে না। দু'জনে মিলে ফুটিয়ে তুলবে তারা। তারা চিঠির বন্ধু হবে।
তারপর, জেগে ওঠা স্বপ্ন কলোনির বাঁ দিকে যে ডাকবাক্স তার পেটে হাত ভরে দেখব একটাও সন্তান নেই! কেবল খানিকটা মায়া মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। তাকেই তুলে আনব ঘরে।
দীর্ঘ সময়ের পর বৃষ্টি নামলে,
বৃষ্টি এবং মায়ার অক্ষরে পুনরায় চিঠি লিখব তোমায়।
শুধু দেখো, তোমার আঙুলে যেন কোনোদিন অন্ধকার না জমে!




0 Comments