
আবীর গুপ্ত'র ছোটগল্প
একটি আত্মহত্যা
প্রবীরের স্ত্রী নিপা আত্মহত্যা করেছে।সিলিং ফ্যানে দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েছে। নীপাকে সকালে ডাকতে গিয়ে দেখে এই অবস্থা!
ঘটনার সূত্রপাত দুদিন আগে। প্রবীরের কলকাতার অফিসে মাসখানেক হল এক ক্লাসমেট নাগপুর থেকে বদলি হয়ে জয়েন করেছে। lকলেজ লাইফে দুজনের মধ্যেই একটু ইয়ে ছিল।পরে অবশ্য কোনই যোগাযোগ ছিল না।প্রবীর বিয়ে করলেও মেয়েটি কিন্তু বিয়ে করে নি। কলকাতায় জয়েন করার পর তাই পুরোনো বন্ধুত্বের খাতিরে মাঝেমধ্যেই ওরা একটু এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করা শুরু করলো। তাতে অবশ্য ক্ষতি ছিল না,ঝামেলা বাধলো যেদিন ওরা গড়িয়াহাট অঞ্চলে মার্কেটিং করছিল।নীপার অফিস বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে, অফিস ফেরতা দুজনকে একসঙ্গে দেখে ফেলল।নীপা মেয়েটাকে চিনত কারণ ও একই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছে। তারপরেই রাতে প্রবীর ফেরার পর তুমুল ঝগড়া,দুদিন কথাবার্তা বন্ধ,আলাদা শোওয়া,অবশেষে আত্মহত্যা।
প্রবীর কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে অফিসার গ্রেডে চাকরি করে, মোটা মাইনে,ঘুষ টুস নেয় না - এব্যাপারে ও ভীষন সৎ। আসলে ও একটু আদর্শবাদী টাইপের ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোতে রাজনীতি করেছে।এখনও যথাসম্ভব চেষ্টা করে সৎ ভাবে থাকতে। বছর তিনেক আগে বিয়ে করেছে। নীপাকে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় থেকেই চিনত।প্রবীর ছিল সায়েন্সের ছাত্র আর নিপা ছিল আর্টসের। ঘটনাচক্রে ওদের বিয়ে হয়। চাকরি পাওয়ার বছর দুয়েক বাদে প্রবীরের মা বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকলেন।বিরক্ত হয়ে প্রবীর মত দিল। অনেক সম্বন্ধে এসেছিল,শেষমেষ মার পছন্দ হলো নিপাকে।প্রবীরও অমত করল না। বিয়ের পর বেশ কাটছিল।প্রবীর অত্যন্ত সৎ! নিজের জীবনে আসা মেয়েদের কথা নীপাকে অকপটে বলে দিল। ওর মনে হয়েছিল এতে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটা আরও ভালো হয়, কোনও অস্পষ্টতা থাকে না। প্রথম বছর “আমার তুমি,তোমার আমি” করেই কেটে গেল। প্রবীর নীপাকে অসম্ভব ভালোবাসত।ওর মনে হতো নীপা মেয়েটা খুবই ভাল শুধু একটু শর্ট টেম্পারড্, রেগে গেলে মাথার ঠিক থাকে না। মুখ থেকে অকথ্য গালিগালাজ যেমন বেরোয় তেমনই উল্টোপাল্টা কাণ্ডকারখানাও করে বসে। তাই, যথাসম্ভব চেষ্টা করত রেগে গেলে ওর মাথা ঠান্ডা করার। সব সময় চেষ্টা করত ওর মন বুঝে চলতে।মেয়েটার এত গুণ, ওই একটাই তো দোষ, মানিয়ে নিলেই হয়। নীপাকে ছাড়া ওর এক মুহূর্ত চলে না। সময় কী করে যে কেটে যায় তা ও টেরই পায় না। সমস্যা হয় যখন অফিসের কাজে ওকে কলকাতার বাইরে যেতে হয়। প্রতি বছরে এক-দুবার মাসখানেকের জন্য যেতে হয়। বাইরে গিয়ে প্রবীর নিয়ম করে প্রতিদিন একবার বাড়িতে ফোন করে নীপার সঙ্গে কথা বলে, তা না হলে রাতে ঘুম আসে না।
বিয়ের দ্বিতীয় বছরে প্রবীর সন্তান চাইল। নীপার আপত্তি ছিল।প্রবীরই জোর করেছিল। তারপর অপেক্ষা আর অপেক্ষা। মাস দুয়েক আগে প্রবীরকে এক মাসের জন্য যেতে হল নর্থ বেঙ্গলে।কলকাতায় যেদিন ফিরল সেদিনটার কথা প্রবীরের বেশ মনে আছে। বাড়িতে ঢোকামাত্র নীপা প্রবীরের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তারপর আদর আর আদর! আগেও তো কতবার বাইরে গিয়েছে কিন্তু এরকমভাবে নীপাকে কখনও পায় নি। প্রবীরের আশ্চর্য লাগলেও খুব খুশি হয়েছিল।স্বাভাবিকভাবেই নীপার প্রতি ওর টান আরও বেড়ে গেল। অফিসে সুনন্দা কোথাও ওর সঙ্গে যেতে বললে না করতে পারত না,কারণ সুনন্দা দুঃখ পেতে পারে এরকম কোন কাজ ও করতে চাইত না। সুনন্দার প্রতি অতীতের দুর্বলতা অবশ্য কখনোই ওর মনে প্রভাব ফেলতে পারে নি। ওকে ও কলিগ হিসাবেই দেখতো। গড়িয়াহাটে মার্কেটিং করতে যাওয়ার প্রস্তাব অবশ্য প্রবীরই দিয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল নীপার জন্য একটা ভালো দেখে শাড়ি কেনা।শাড়ির কোয়ালিটি বিচার করা মেয়েদের পক্ষেই সম্ভব। সেটাই যে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে জানলে ও কখনই মার্কেটিংয়ের প্রস্তাব সুনন্দাকে দিত না।
ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যার সময় বাড়ি ফিরে প্রবীর দেখল নিপা অফিস থেকে বাড়িতে ফিরে এসেছে, মুখ থমথমে। আগের দিন সুনন্দার সঙ্গে প্রবীরকে দেখার পর থেকে নিপা কথা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রবীর হাত-মুখ ধুয়ে চা খেয়ে নিপাকে ডেকে বলল–
-তোমাকে আজকে দারুন দেখাচ্ছে!
নিপার উত্তর শুনে ও আর কথা বাড়ালো না। রাতে ডিনারও হল নিঃশব্দে।তারপর, নীপা দুমদাম করে শোবার ঘরে ঢুকে দড়াম করে দরজা বন্ধ করে ভেতর থেকে লক করে দিল। প্রবীর দু-একবার দরজা ধাক্কা দিয়ে তারপর স্টাডিরুমে গেষ্টদের জন্য রাখা ডিভানে বই নিয়ে শুয়ে পড়লো। অনেক রাত অবধি বই পড়লো। তারপর ঘুমিয়ে পড়লো।
সকালে সাতটা নাগাদ যখন প্রবীরের ঘুম ভাঙলো তখন একটু অবাকই হল। সাধারণত নীপা চা করে এনে ওকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। রাগ ভাঙানোর জন্য নিজেই রান্না ঘরে গিয়ে দু'কাপ চা করে এনে শোবার ঘরের দরজায় ধাক্কা দিল। কোন সাড়াশব্দ নেই।বেশ কয়েকবার জোরে জোরে ধাক্কা দেওয়ার পর ও ভয় পেয়ে গেল,চিৎকার করে নীপাকে ডাকলো। শেষে,পাশের বাড়ি থেকে অমিতকে ডেকে নিয়ে এল।অমিতের এমবিবিএস এর ফাইনাল ইয়ার, খুব ভোরবেলা উঠে পড়াশোনা শুরু করে। দু-তিনবার দরজায় নক করে “বৌদি বৌদি” করে ডেকে শেষে বলল –
-দাদা,দরজা ভাঙতে হবে।
অমিতই পাড়ার আরো কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে এসে দরজা ভাঙলো।নীপা গলায় দড়ি বেঁধে আত্মহত্যা করেছে! প্রবীরের এক মুহূর্তের জন্য মনে হল ওর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।ওই তো আসল অপরাধী।ওর জন্যই তো নীপা আত্মহত্যা করেছে। নিজেকে চেপে রাখতে চেষ্টা করলো কিন্তু পারলো না,হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলল।
অমিতই উদ্যোগ নিয়ে সব ব্যবস্থা করলো। আত্মহত্যার কেস, তাই পুলিশে খবর দেওয়া, নীপার অফিসে খবর দেওয়া, নীপার বাপের বাড়িতে মাকে খবর দেওয়া - দায়িত্ব নিয়ে সবকিছু করলো। কোথা থেকে কী হচ্ছে প্রবীরের কোনো ধারণাই ছিল না। নীপার অফিস থেকে সাত-আট জন চলে এলেন। তাঁরাই এরপরে দায়িত্ব নিলেন। প্রবীরের অফিসের থেকেও অনেকে এলেন। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে পর ডেড বডি পাঠানো হলো ময়না তদন্তে।তারপর বডি যখন ছাড়লো তখন প্রবীর শুনলো নীপার পেটে নাকি সন্তান ছিল! নীপার অফিস কলিগ অখিলেশ সেন,তাঁর প্রচুর চেনাশোনা।পুলিশেও বেশ হাত আছে। তিনিই পুরো দায়িত্ব নিলেন।বডি নিয়ে যাওয়া হল কেওড়াতলায়।দাহ করে ফেরার পর দেখলো বাড়িতে সুনন্দা পুরো বাড়ির চার্জ নিয়ে নিয়েছে।ওর যা মানসিক অবস্থা ছিল তাতে ও কোন কিছুই ভাবতে পারছিল না।
দিন পনেরো বাদে বাড়িতে টিকতে না পেরে অফিসে জয়েন করলো। বন্ধুবান্ধব, কলিগ, সুনন্দা,সবাইকে এড়িয়ে চলত। সুনন্দা নিজেই এগিয়ে আসত। ওকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নানান গল্প করত। প্রবীর কিন্তু মন থেকে মেনে নিতে পারত না কারণ ওর মনে হতো সুনন্দার জন্যই নীপা আত্মহত্যা করেছে। সুনন্দাকেও না বলতে পারত না। অসহ্য মানসিক কষ্ট নিয়ে শেষে ঠিক করলো একটা হেস্তনেস্ত করা দরকার। এদিকে সুনন্দার মনোভাব ও পরিষ্কার বুঝতে পারত,প্রবীর একটু প্রশ্রয় দিলেই সুনন্দা -। সুনন্দা এখনও যে ওকে অসম্ভব ভালোবাসে।
প্রবীর অফিস থেকে ছুটি নিয়েছে। পাঁচদিনের ই-এল. নিয়েছে। সোম থেকে শুক্র পাঁচ দিন ছুটি নিলেই মোট নয় দিনের ছুটি। নীপার মৃত্যুর পর প্রায় পাঁচ মাস কেটে গেছে,এখনও প্রতিদিন রাতে ও নীপার ছবি নিয়ে ঘুমায়। নীপাকে ভুলতে পারছে কোথায়!শনিবার দুপুরে বেরিয়েছিল, কলেজ স্ট্রিট থেকে কয়েকটা বই কিনে আনলো।ওর মনে হল নীপার আলমারিটা গুছিয়ে রাখা দরকার।নিশ্চয়ই ভীষন অগোছালো হয়ে আছে।ও বড্ড অগোছালো স্বভাবের ছিল। নীপার চাবিটা বহু খুজেও পেল না। তারপর,ওর মনে পড়ল ওর কাছেও তো একসেট চাবি আছে।দুজনের আলমারির চাবিই দুজনের কাছে থাকত। নীপার আলমারির চাবিটা বার করে আলমারিটা খুলে ফেলল।এক এক করে সব নামিয়ে ফেলল,একেকটা শাড়ি বার করছিল আর ওর পুরনো স্মৃতি মনে পড়ছিল,চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল। একটা কটকী গায়ে দেওয়ার চাদর দেখে ওর মনে পড়ে গেল ওদের বিয়ের পর হানিমুনে পুরী ভ্রমণের স্মৃতি। ধৌলি এক্সপ্রেসে কটক গিয়ে তারপর ওখানে দুদিন থেকে পুরী গিয়েছিল। কটকে থাকাকালীন নীপার জন্য অনেক দাম দিয়ে চাদরটা কিনেছিল। অত দাম দিয়ে চাদর কেনায় নিপা রেগে গিয়েছিল,ওর মনে হয়েছিল এত দাম দিয়ে কেনার কোনও মানে হয় না। ওর সেন্টিমেন্টটা বুঝতে চায়নি।সেদিন সারাদিন ওর সঙ্গে ভালো করে কথা অবধি বলে নি। তারপর, টুকরো টুকরো স্মৃতি। কোনারকে দু-দিন ছিল। ওর মনে পড়ল একটা মজার ঘটনা। কোনারকের পান্থনিবাসে এক রাতে পুরো হোটেলে ওরাই একমাত্র একটা ঘরে বাকি সব ঘর ফাঁকা। ভয়ে নীপা প্রবীরকে সারারাত জড়িয়ে শুয়ে ছিল। সে রাতে কারোর ভালো করে ঘুম হয় নি।
একটার পর একটা জিনিস নামিয়ে নামিয়ে দেখছিল।অফিস ব্যাগটা আলমারির এককোণে অবহেলার সঙ্গে ফেলে রাখা। ও ব্যাগটা ঠিক করে গুছিয়ে রাখবে বলে টেনে নামালো। ব্যাগের মধ্যে কত কী জিনিস! পুরো সংসার নিয়ে অফিস যেত! একটা মোটা খাম দেখে ওর মনে হলো বোধহয় টাকার প্যাকেট। খামটা টেনে বার করে খুলে ফেললো। গোটা বারো-তেরো চিঠি আর একটা পাতলা খাম, খামের উপর একটা প্রাইভেট কুরিয়ার সংস্থার সিল। চিঠিগুলো খুলে দু-এক লাইন পড়তেই ওর মাথা গরম হয়ে গেল। সবগুলোই প্রেমপত্র! নীপাকে উদ্দেশ্য করে লেখা। বোধহয় নীপার বিয়ের আগে চিঠি এসব। অথচ, নীপা ওকে একবারও বলেনি! প্রতিটি চিঠির নিচে অখিলেশ নামটা সই করা।একটু ধাতস্থ হলে ঠিক করল চিঠিগুলো পড়বে না, পুড়িয়ে ফেলবে। কৌতুহল শেষ অবধি ওকে চিঠিগুলো পড়তে বাধ্য করল।চিঠি পড়তে পড়তে ও বুঝতে পারলো প্রেমপত্রগুলো বিয়ের পরের এবং প্রেম একতরফা নয়। ওর হাত পা কাঁপছিল। কাঁপা হাতে পাতলা কুরিয়ারের খামটা খুলে দেখল তাতে একটা কুড়ি হাজার টাকার বেয়ারর চেক আর মাত্র দু-লাইনের একটা চিঠি –
-নীপা,বাচ্চাটা আমার হলেও কিছু যায় আসে না।একটা চেক পাঠালাম সুযোগ বুঝে বাচ্চাটা নষ্ট করে ফেল। কবে কোথায় জানালে আমি থাকবো। - তোমারই আখিলেশ।
চিঠির তারিখ নীপা যেদিন আত্মহত্যা করে সেদিনকার।
প্রবীরের মুখ দিয়ে একটা কুৎসিত গালাগাল বেরিয়ে এল।অখিলেশ মানে ওর অফিস কলিগ অখিলেশ সেন। সবকিছু দলা পাকিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল।তারপর,আবার সব কুড়িয়ে নিয়ে লাইটার বার করে একটা একটা করে পুড়িয়ে বাড়ির বাইরে ছুড়ে ফেলে দিল। সারাক্ষণ ওর চোখ দিয়ে অঝোরে জল গড়িয়ে পড়ছিল। তবে,এই চোখের জলের কারণটা বোধহয় আলাদা। নীপা ওকে ধোঁকা দিয়েছে,ও ঘুনাক্ষরেও বুঝতেই পারে নি। অনেক অনেক ভাবল। সন্ধ্যাবেলায় সুনন্দাকে ফোন করে বলল –
তুমি তো বাড়িতে একাই থাকো,চলে এস। রাতে বাড়িতে চাইনিজ আনিয়ে নেব। ডিনারটা একসঙ্গেই করব।রাতে আর তোমাকে বাড়িতে ফিরতে হবে না।
মনে মনে ঠিক করল,ও আর কখনও সৎভাষন করতে যাবে না। সুনন্দাকে কোনদিনই এই চিঠির কথা জানাবে না। নীপার প্রতি ওর ভালোবাসা তো অকৃত্রিমই ছিল। নীপা চিরকাল সবার কাছে পতিব্রতা স্ত্রী হিসেবেই থাক। ক্ষতি কী?
প্রবীরের ফোন পাওয়ার পর বুদ্ধিমতী সুনন্দা মুচকি হেসে তৈরি হলো প্রবীরের বাড়িতে যাওয়ার জন্য। নীপা মারা যাওয়ার পর তিন-চারদিন প্রবীরের বাড়িতে থাকতে হয়েছিল। নীপার আলমারির চাবি টিভি উপর পেয়ে পড়ার জন্য আলমারি খুলে শাড়ি বার করতে গিয়ে চিঠির খামটা পেয়েছিল। খুলে দেখে সবই জেনেছিল। এমনকী নীপার মৃত্যুর দিনে কুরিয়ারে আসা খামটাও পেয়েছিল।খামের মধ্যে চিঠি ফিঠি কিছুই ছিল না,শুধু ছিল কুড়ি হাজার টাকার একটা বেয়ারার চেক। ও প্রবীরের ভালোর জন্যই মোটামুটি ওইরকম হাতের লেখায় একটা দু লাইনের চিঠি লিখে চেকের সঙ্গে রেখে দিয়েছিল।



1 Comments
খুব ভালো লাগলো।এক আলাদা স্বাদের ছোটো গল্প। শেষ হতে পারতো নীপার আত্মহত্যার পরেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রবীরের জীবনে সুনন্দার আগমন গল্পকে আরও মনোগ্রাহী করেছে।
উত্তরমুছুন