
অবকাশ
নিশ্চুপে ঘুমপাখী কপালে ছোঁয়ালে ঠোঁট
এ তল্লাটে জেগে ওঠে বায়ুশূন্য এক্কাগাড়ি সব।
ছুটতে থাকে এলোপাথারি
নিঃশ্বাসের প্রতি বিশ্বাস না রেখেই।
অবকাশ নামক হাতঘড়িটা
বন্ধ তবু ছুটছে
বিগলিত কথার হট্টমেলায়।
হঠাৎ, ডান হাতের পাশটা
শূন্যতা হাতড়ে হাতড়ে চোখের সামনে এলে
আমিও সব ভুলের মাশুল গুনি
আর আবিষ্কার করি..
আমার ঋজু মেরুদণ্ডের পাশে
মাতৃত্ব শুয়ে থাকলেও সন্তানটা আর নেই।
মরণোত্তর অভিলাষ
আকাশের শুদ্ধমানে
ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের পালক,
বিবর্ণ সুতোয় গেঁথে রাখা নিয়ম ভাঙার
দুঃসহ ছক।
সন্তানের শরীরে শুধু প্রতারক মায়ের ছেঁড়া জিভ।
বেঁচে থাকা যেখানে নয়
মৃতদেহের স্হানীয় একক,সেখানে
ফুল ফোটাতে চেয়ে ফুলেরই ঘায়ে মূর্চ্ছা খায়
কাপুরুষ গর্ভেরা।
আশা,
নিশ্বাস বুজে চলতে চলতে একদিন ঠিকই
বায়ুবিহীন কোষ গড়ে তুলবে ছাদ।
শুধু ভিতের সুড়ঙ্গপথে ছাইচাপা রয়ে যাবে পরজীবি এক অবিনাশী মন।।
কবি নবনীতা সরকার
মালঞ্চপল্লী, মকদমপুর, মালদা



0 Comments