
রোজ ক্ষয়ে যাচ্ছি একটু একটু করে,
অণু পরমাণুতে,প্রতিটা ক্রোমোজোমে।
বুকের বুকশেলফে যে বইগুলো আছে,
ওতে বইপোকারা থাবা বসিয়েছে।
নাড়ির পেঁচালো জটিলতায় যেন মায়ের টান খুঁজে পাচ্ছি আজকাল।
আঁতুর ঘরে পরে থাকা কচি কান্না ভেসে ওঠে
চোখের ক্যানভাসে।
শৈশব ছুটে বেড়ায় দামাল ছেলের মতো পাঁজরের অস্থি মজ্জায়।
তবে কি মানুষ হয়ে জন্মেছিলাম!
ক্রোমোজোমের উপস্থিতিতে তার প্রমাণ জমে ওঠে।
হরমোনের গন্ধে মানুষের অবস্থান টের পাই নিজের মধ্যে।
মানুষের মাঝে মানুষ হয়ে ছিলাম।
হেঁটেছি, চলেছি,গায়ে মেখেছি শোক,
দেখেছি উত্থান পতন।
দেখেছি জীবনের থেমে যাওয়া।
বুঝেছি এ জীবনটা স্বার্থে চলে।
রোজ পেশি মোটা করেছি,
ভোগ করেছি মানুষ হওয়ার আনন্দ।
বিলাসিতায় প্রমাণ রেখে গেছি মানুষ হওয়ার।
তবে আজ কেন ক্ষয়ে যাচ্ছি রোজ!
বইগুলো কেন বাঁচিয়ে রাখতে পারছি না!
পাতাগুলো লাল হয়ে যাচ্ছে,
বিদীর্ণ হচ্ছে বুকের ছাতি!
কি দিয়ে যাবো পৃথিবীকে?
পোকা কাটা বই?
নাকি এক বুক আশ্বাস মানুষের পাশে থাকার?
কর্মে রয়ে যায় স্থান, বইয়ের পাতায় নয়।
এখনো সময় আছে,
ক্ষয়ে যাবার আগে ক্রোমোজোম থেকে বেরিয়ে
নিজেকে মানুষ বলে দাবি করে নেবো।
নাভি যেদিন ভেসে যাবে গঙ্গায়,
যেন তাতে গন্ধ ছুঁয়ে থাকে মনুষ্যত্বের, মানবিকতার।



1 Comments
সুন্দর চিন্তাভাবনা... তবে... বইপোকারা কিভাবে বইয়ের ক্ষতি করে... বোঝা গেল না
উত্তরমুছুন