সোমা কুশারীর গল্প


ভিটে

ফলম ফলে ফলানী... শব্দরূপ মুখস্থের রেশ কানে নিয়েই উমা পন্ডিত ঝপঝপ করে খিড়কি পুকুরে তিনটে ডুব দিয়ে নিলেন গৃহদেবী শুভঙ্করীর পুজোর আয়োজন স্ত্রী অন্নদা ভোরে উঠেই সেরে রেখেছেন উমানাথ ভেজা কাপড়েই বাড়ি সংলগ্ন শুভঙ্করীর মন্দিরে ঢুকে গেলেন উদাত্ত কন্ঠের  মন্ত্রোচারণে পবিত্র হয়ে উঠল বিশাল দরদালান...

'সর্বমঙ্গল - মঙ্গলে শিবে সর্বথসাধিকে।
শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহস্তুতে'

ভট্টাচার্য্যদের টোল ডিহিকোপার গর্ব। উমানাথের স্বর্গীয় পিতামহ শম্ভুনাথ বেদান্তবাগীশের হাতে এ টোলের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। তখন অবশ্য দুটো খড়ো ঘরেই সাকুল্যে দশজন ছাত্রের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। কালে কালে শম্ভুনাথের বিদ্যা আর যশের খ্যাতি সমগ্র বঙ্গদেশে ছড়িয়ে পড়ে শোনা যায় সুদূর বিহারের পূর্ণিয়া, উড়িষ্যার বারিপদা অসমের জ্যোতিষপুর থেকেও ছাত্রেরা এই অখ্যাত গ্রামে পড়তে আসতেন শুধু তাঁর অসামান্য প্রজ্ঞার টানে। শম্ভুর মৃত্যুর পর উমানাথের বাবা চন্দ্রনাথ তর্কতীর্থ টোল পরম্পরা চালিয়ে যান। ততদিনে ইংরেজী শিক্ষার প্রসার ঘটেছে দেশে টোলের কদর আগের মতো না থাকলেও জনা পঞ্চাশ ছাত্রের পঠনপাঠন চলেছে এই বাড়িতেই।উমানাথের পিতামহ শম্ভুনাথ এ পরিবারের কৃতী পুরুষ,টোলের পাশাপাশি              তিনি-ই  দেবী শুভঙ্করীর মন্দিরসহ এই বিশাল দোমহলা  বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন। যজমানী জ্যোতিষচর্চা সহ কবিরাজী চিকিৎসাতেও তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। একে একে সন্নিহিত বড় গ্রাম, কুনুটিয়াসহ ডিহিকোপাতেও  এই করেই তিনি অতুল সম্পত্তি করেছিলেন।

উমানাথের বাড়িটির লাগোয়া আরেকটি বাড়িতে টোলের ব্যবস্থা করে গেছিলেন চন্দ্রনাথ। দেবী শুভঙ্করীর মন্দিরটি এই দুই বাড়ির মধ্যে অবস্থিত। উমা গৃহিনী অন্নদাই  বর্তমানে টোলের ছটি ছেলের যাবতীয় দেখাশোনা করেন।  যদিও, আগের সেই দবদবা এখন আর সংস্কৃত শিক্ষার নেই। উমানাথ নিজেই স্থানীয় রতনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সংস্কৃতের পন্ডিত। সকালে টোলে শিক্ষকতা সেরে বেলা দশটার মধ্যে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যান।

উমানাথের বড় ছেলে অম্বরীশ সংস্কৃত সাহিত্যের কৃতীছাত্র মেজ  ছেলে বিরুপাক্ষ সিউড়ি এল সি কলেজে ঢুকেছে, ছোটোটি স্কুল ফাইনাল দিয়ে এখন বাড়িতেই। মোটা মোটা থামের প্রশস্ত ছাদের এককোনে অন্নদা একাধিক বয়ামে লেবু, আম, তেঁতুলের আচার শুকোতে দিয়েছেন। বাড়ির লাগোয়া গোয়ালে মুনীশ করিমুদ্দি খড় কুচোচ্ছে বেলা একটা বাজলেই মাঠ থেকে চারজন মুনীশ খেতে আসবে। অন্নদা তখন বাড়ির দুই পরিচারিকা বাসিনী আর লক্ষ্মীকে নিয়ে খেতে দিতে শুরু করবেন।

টোলের ছাত্ররা পরপর বসবে চওড়া বারান্দার লাল মেঝেতে প্রত্যেকের বরাদ্দ ঝকঝকে কাঁসার থালা গেলাশ যা তারা  প্রতিদিন নিজেরাই মেজে ঝকঝকে করে রাখে। অন্নদা লাল পাড় সাদা মটকার কাপড়ে মাথায় ঘোমটা দিয়ে ছটি ছেলেকে অতিযত্নে পরিবেশন করবেন গরম ভাত বাড়ির তৈরী ঘি, আলু অথবা পটলভাজা, আলুপোস্ত ঘন  অড়হরের ডাল, বড়িআলু বেগুনের তরকারী বা কোনোদিন ওলের ডালনা পুকুরের মাছের টক আর শেষ পাতে বাড়িতে পাতা ঘন দই। এ বাড়িতে মাংস ডিমের পাটাপাট নেই। পেঁয়াজ রসুন ও অন্নদার হেঁসেলে ঢোকে না। মুনীশদের জন্যে ঐ একই ব্যবস্থা। তবে, তাদের খোরাকিটা একটু বেশী। অন্নদা হাসিমুখে ছাত্র ও মুনীশ সকলকে পরিবেশন করেন। দুবেলা রান্নাটিও নিজের হাতেই করেন। এসব সারতে সারতে রোজই তার খেতে খেতে বেলা চারটে হয়ে যায়। অন্নদা খেয়ে উঠে মুখে পানটি দিয়ে বড় ঘরের চাতালে বসে গরম কালে বেলের পানা বা ছাতুর সরবত গুলতে গুলতেই উমানাথ স্কুল থেকে এসে হাজির হন। শীতে অবশ্য নিয়ম অন্য গরম ভাজা মুড়ি আর ফুটকড়াই দিয়ে উমানাথ জলযোগ করেন।

বড়পুত্র অম্বরীশ যে টুলো পন্ডিতের জীবন অতিবাহিত করবে না উমানাথ তা ভালোই জানতেন,ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত অম্বরীশ সংস্কৃতে এম এ ডিগ্রি লাভ করেই সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজে অধ্যাপনার চাকরী নিলো। মেজ বিরুপাক্ষ তো আরো এককাঠি উপরে, এল সি কলেজ থেকে বেরিয়ে বোম্বাইতে এক নামী সংস্থায় বাস্তুকার হিসেবে চাকরী জুটিয়ে তারপর উমানাথের কাছে মতামত চাইলো। অন্নদা ততদিনে দুই ছেলের জন্যে তেতলায় দুটি হালফ্যাশানের ঘরের আবেদন প্রায় মঞ্জুর করে ফেলেছেন উমানাথের কাছ থেকে। স্বামী স্ত্রী-র মনোগত ইচ্ছে পুরোনো বাড়িটিকে যথাযথ মেরামত করে আধুনিক সুযোগ সুবিধা দিয়ে গড়ে তুলবেন। মূল বাড়িটি সেই শম্ভুনাথের হাতে তৈরী। চন্দ্রনাথ সামনের প্রশ্বস্ত দালান ও টোলের ছাদ ঢালাই করিয়াছিলেন শুধু, উমানাথ দু একবার কলি ফেরানো ছাড়া এই বাড়ির বিশেষ কিছু পরিবর্তন এতদিন করেননি। দুই ছেলে উপযুক্ত হয়েছে তাদের বিয়ে দেওয়ার তোড়জোর শুরু করতে হবে বলেই উমানাথ ও অন্নদা বসতবাড়ির দিকে নজর দিয়েছেন সম্প্রতি।

নীলাভ্র ভট্টাচার্য্য অনেকক্ষণ পুঁথিঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। ছোট্ট ঘরখানির আগাপাশতলা পুঁথি দিয়ে ঢাকা। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নীলাভ্রের কাছে বেদ বেদান্তের এসব টীকাভাষ্য পুরোনো দিনের ধূলিধূসরিত স্মৃতি ছাড়া বিশেষ কিছু নয়। বড়দা অম্বরীশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাথে কথা বলেছেন খুব শিগ্গির সেখানকার এক্সপার্ট কমিটির সদস্যেরা এসে বেছেবুছে নিয়ে যাবেন এইসব দুস্প্রাপ্য পুঁথি। টোলের বাড়িটি বহুদিন জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে আছে। মূল বাড়িটির মাত্র দুটিঘর এখনও খানিকটা ব্যবহারযোগ্য আছে বৃদ্ধ করিমুদ্দি ঝাঁটপাট দিয়ে যতদূর যা করার করে রাখে।তবু, শুভঙ্করীর মন্দিরে নিত্য পুজো করেন যে ব্রাম্ভ্রণ সেই রতন চক্রবর্তীর বাড়িতেই এসে উঠেছেন নীলাভ্র, উমানাথ অন্নদার ছোটোপুত্র। অম্বরীশ - ই  নিত্য পুজোর জন্য উমানাথের মৃত্যুর পর এই ব্যবস্থা করে গেছিলেন। না করে উপায়-ই বা কী? অম্বরীশের স্ত্রী অনসূয়া দাস একই কলেজের ফিলসফি পড়াতেন। উমানাথ এ অসবর্ণ বিবাহে বাধা দেননি বটে তবে ছেলে ছেলের বৌকে পৈতৃক ভিটায় থিতু হতেও অনুরোধ করেননি। অম্বরীশ তাই ছুটিছাটায় সিউড়ি থেকে ডিহিকোপায় এসেছেন গৃহদেবী শুভঙ্করীর বাৎসরিক উৎসবে স্ত্রী কন্যা সহ অতিথির ভূমিকা পালন করেছেন কিন্তু উমানাথ বা অন্নদা কোনোদিন-ই তাদের এ দায়িত্ব পালন করতে জোর করেননি।

বিরূপাক্ষ মুম্বই-তেই ভরসোভায় ফ্ল্যাট নিয়েছেন। স্ত্রী পদ্মিনী মহারাষ্ট্রীয়ান। বাংলার গ্রামীন জীবন সম্পর্কে বিশেষ আগ্রহ কোনোদিন-ই তাই বিরুপাক্ষের দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে তৈরী হয়নি। দু একবার যাও বা তারা এই বাড়িতে এসেছে ছবি তুলে আর পুকুর বাগান দেখে হুটোপুটি করেই কাটিয়ে দিয়েছে।

নীলাভ্র জুনাকে নিয়ে এই ভিটেয় একবার ও আসেননি। মলিও দাদু ঠাকুমাকে ফটোগ্রাফেই দেখেছে।ক্যাথলিক জুনাকে গ্রহণ করার উদারতা উমানাথ পন্ডিতের কাছ থেকে নীলাভ্র অবশ্য আশাও করেননি। অন্নদা অবশ্য জুনাকে মন থেকে গ্রহণ করেছিলেন। আর বৌমাদের যে যে গহনা দিয়ে ছিলেন জুনাকেও সেসব ছোটো ছেলেকে কলকাতা থেক ডেকে পাঠিয়ে  গুছিয়ে দিয়েছিলেন।

নীলাভ্র দোতলার নড়বড়ে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠে গেলেন,প্রশস্ত ছাদের বহু জায়গায় বট অশ্বথের দখলদারী মাত্রা ছাড়িয়েছে। দুই ছেলের জন্যে দুটো ঘর করবেন বলে একটু করে গাঁথনি শুরু হয়েছিল অসমাপ্ত সেই চিহ্নবুকে নিয়ে শতাব্দী প্রাচীন ছাদটি একাকী দাঁড়িয়ে আছে। নীলাভ্র একমনে নীচের গোয়ালঘরের পরিত্যক্ত অংশটি দেখতে লাগলেন বড্ড মনে পড়তে লাগল ভুলি,মুঙ্গলি আর পাঙ্গুলীকে। কালো চকচকে শিং-এর বিশাল বিশাল গাইগুলোকে করিমুদ্দি যখন রোজ দোয়াতো ছোট্ট নীলাভ্র সেই গরম ফেনাওঠা কাঁচা দুধ খেতে কী যে ভালোবাসতেন!  

টোলের বাড়িটি বাবা উমানাথ থাকতেই পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছিল। হঠাৎ দুদিনের জ্বরে অন্নদার মৃত্যু উমানাথকে রাতারাতি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।শেষ জীবনে একরকম এই বাড়ি আঁকড়েই পড়েছিলেন তিনি। যে রাতে সব শেষ হয়ে গেল সেই দিন সকালে রোজকার মতো বাসিনী যোগাড়যন্ত করে দিয়েছিল নিজেই স্বপাকে রেঁধে খেয়েছিলেন উমানাথ।  স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেজ আর ছোটোর কাছে উমানাথ যে যাবেন না গ্রামসুদ্ধ সবাই জানতেন কিন্তু বড় ছেলে অম্বরীশ এতকাছে সিউরি সদরে বাড়ি করে ছিলেন তাকেও যখন উমানাথ সরাসরি না করে দিলেন সকলে অবাক হয়েছিল...

-আপনি আমাদের কাছে চলুন বাবা! এখানে একাএকা...
-না! অম্বু আমাকে শেষ জীবনটা শান্তিতে কাটাতে দাও।

একাকী উমানাথের অবশ্য সেই একই রুটিনে দিন কাটতো, সকালে উঠে পুকুরে ডুব দিয়ে  চান সেরে শুভঙ্করীর পুজোর যোগাড় নিত্য পুজোর সামান্য প্রাসাদের ফল বাতাস মুখে দিয়ে আশেপাশের গ্রামের দুচারটে ছাত্র পড়ানো শেষে বারোটা নাগাদ বাসিনীর যোগাড় করে দেওয়া হলে স্বপাকে দুটি সেদ্ধ ভাত। টোলের পাট বাধ্য হয়েই তুলে দিয়েছিলেন কে রাঁধাবাড়া করবে? মুনীশদের রান্না অবশ্য বাসিনী আর লক্ষ্মীরানী-ই করত। উমানাথের মৃত্যুর পরপর-ই লক্ষ্মীরাণী ও বাসিনীকে কিছু টাকা দিয়ে বিদায় করা হয়েছিল। অম্বরীশ কিছু জমিও দুই ভায়ের সাথে পরামর্শ করে ওদের নামে লেখাপড়া করে দিয়েছেন। শুধু বাড়িটি আঁকড়ে পড়ে আছে এই  করিমুদ্দি, বৃদ্ধ মুসলমান মুনীশটি উমানাথ ও অন্নদাকে চিরকাল বাপজান আর আম্মা বলে ডেকে এসেছে।নবছর বয়স থেকে এ বাড়িতে প্রতিপালিত।ঘর সংসার সব থাকতেও সে তাই কিছুতেই এ বাড়ি ছেড়ে যেতে নারাজ। দুচোখে ঝাপসা হয়ে আসা দৃষ্টি আর বেঁকে 'দ' হয়ে যাওয়া শরীরটা নিয়ে  এ বাড়ির ঝোপঝাড় পরিস্কার রাখা আর শুভঙ্করীর পুজোর সময় ঠায় রতন চক্রবর্তীকে মন্দিরের চাতালের নীচে দাঁড়িয়ে দেখে যাওয়াই তার কাজ। নীলাভ্র করিমের ছেলেকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তার বাপকে ঘরে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ...

- হবিব জানোই তো সব! এ বাড়ি তো এবার ভাঙা পড়বে। করিমকে এবার নিয়ে যাও তোমরা...

হবিব গামছায় মুখ মুছে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থেকেছে, তারপর নিচু গলায় বলেছে...

- বাপকে বুঝাই তো! কথা শুনতে লারে!উ এ ঘরটো থিকে যেতে লারবে...

নীলাভ্র আজ ফিরবেন। আগামী সপ্তাহে শুরু হবে বাড়ি ভাঙার কাজ। এতদিন শুভঙ্করীর মন্দির নিয়ে গ্রামবাসীর সেন্টিমেন্টের জন্যেই এতবড় প্লটটা বেচতে পারছিলেন না তিনভাই। অম্বরীশ-ই পঞ্চায়েত প্রধান শ্রীরাম বাগদি আর উপপ্রধান পঞ্চানন পালকে মোটাটাকা ঘুস দিয়ে সব ব্যবস্থা করেছেন, নদীপাড়ের একফালি জমিতে নতুন  মন্দিরের কাজ ও শেষ হয়ে গেছে মাস ছ'য়েক হলো। রতন চক্রবর্তী - র মাস মাইনেও প্রতিমাসে তিন ভাইতে দেবেন ঠিক হয়েছে।  প্লট বিক্রি হয়ে গেছে সাধনা এ্যগ্রো ইন্ডাস্ট্রির কাছে নগদ এককোটি টাকায়। ওরা এখানে দুটো হিমঘর করবে।

নীলাভ্র শেষবারের মতো শুভঙ্করীর মন্দিরে প্রণাম করলেন। মায়ের মুখখানিতে কী একমুঠো বিষাদ আঁকা দেখলেন? ঠিক বুঝতে পারলেন না! মলিন বেদীতে শতাব্দী প্রাচীন পাথরের মূর্তি যেন কেমন বিষন্ন মুখে দাঁড়িয়ে আছেন। বেলা পড়ে আসছিল, রতন চক্রবর্তী তাড়া দিলেন...

ছোটোবাবু! তাড়াতাড়ি করুন এখন না বেড়োলে কলকাতা পৌঁছাতে দেরী হয়ে যাবে!

নীলাভ্র - র দুধসাদা সুইফট ডিজায়ার শেষবারের মতো ভট্টাচার্য্যদের বাস্তুভিটের সামনে থেকে ঢালু রাস্তা বেয়ে সামনের জাতীয় সড়কে উঠে গেল। রতন চক্রবর্তীকে একমনে সেদিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে করিমুদ্দি বিরক্তি মাখানো গলায় চেঁচিয়ে উঠলো...

- অ বামুন ঠাকুর! সাঁঝ বসি গেল মন্দিরে শেতল দিবা কুখন?

লেখিকা সোমা কুশারী
১৫৫/এ ঘটক রোড, কাঁচরাপাড়া ,উত্তর চব্বিশ পরগনা 




 


0 Comments