রণ পায়ে হেঁটে চলেছি
যেখানে জড়ো হয়ে আছে সূর্যের অভিমান
ছড়িয়ে আছে বহুমাত্রিক আলো
অন্ধকারের সীমানায় বন্দী হয়ে আছে কাব্যভাষা
স্পন্দিত অনুষঙ্গে জড়ো হয়ে আছে মহাকাল
অনেক অনেক জিজ্ঞাসা
অশুভ সব উদাসীনতা
দিশাহীন ইতিহাসের পাতাগুলো এভাবেই ভরাট হয়
কলুষিত হয় সহিষ্ণুতার সংবিধান
দিব্যি আছি বলতে কষ্ট হয়
আমরা ওরা মিলে মিশে আসমুদ্র হিমাচল
আপাতশূণ্য কিছু বিশুদ্ধ বাতাস
ভাঙা মানুষেরা শোনায় পালাগান
কূটিল সন্ধ্যায় জীর্ণ হয় মূঢ়তা বিনাশ কথাগুলো অস্থির হয়ে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে
প্রতিবন্ধী চাঁদ ঘনঘন হাই তোলে
ডুবে যায় কবি জন্মের দুর্বোধ্য কথা
অজস্র অন্ধকার খুলে বসেছে দোকান
আত্মার অমলিন প্রচ্ছদ কেনাবেচা হয়
আবার ও ভোর হয়
মেঘেদের ডানায় লেপ্টে থাকে ফুলসজ্জার বিনাশ কাব্য।
লড়াই
এখন মৃত্যুকে উপভোগ করবো এসো
অসহ্য সময়
আত্মারা ক্রমশ পাথর হয়ে উঠছে দিন দিন
পেছোনোর আর জায়গা নেই
অনিচ্ছুক ফুটপাতে এঁকে দিচ্ছি মনস্তাত্ত্বিক ক্যানভাসে
পাঠিয়ে দিচ্ছি আত্মহত্যার ধূসর এস এম এস
চুড়ি পড়ে বসে থাকার সময় এখন নয়
অস্ত্র হাতে বিষম লড়াইয়ে নেমে পড়ো
মৃত্যু এখন পাহারা দিচ্ছে সমতল দ্বীপ
অসহিষ্ণুতা এবং
ড্রেনে ভেসে চলেছে রক্ত আর পচামানুষ
বিদ্ঘুঁটে গন্ধে জেগে আছে শূন্যতা
পচালাশ উঁকি মারছে সভ্যতার আলোয়
বিধ্বস্ত পৃষ্ঠায় আঁকা হচ্ছে জীবনপঞ্জী
কালের স্রোতে পাহারা দিচ্ছে ধর্মমানুষ




0 Comments